ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমার দিকে যাওয়ার সময় পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ন্যাটো’র বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিট ভূপাতিত করেছে। এ ঘটনায় ইরানের ওপর কঠোর অবস্থান নিয়েছে তুরস্ক। আঙ্কারা জানিয়েছে, তারা যে কোনো শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত বিবৃতি দিয়েছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এই খবর প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জেকি আকতুর্ক বলেন, তুরস্ক তার নাগরিক এবং আকাশসীমার নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল অবস্থান অবলম্বন করছে। তিনি আরও বলেন, “যেখান থেকেই শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড আসুক না কেন, তুরস্ক তার জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে।”
জেকি আকতুর্ক জানিয়েছেন, ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর এবং এরপর তৃতীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষিতে আঙ্কারা ঘটনাবলী ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তুরস্ক আশা করছে, সংঘাত দ্রুত শেষ হবে এবং আঞ্চলিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত শনিবার থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বড় আকারের হামলা চালানোর পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে অন্তত ৯২৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
তুরস্ক বলেছে, তারা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সতর্ক থাকলেও নিজের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
Mytv Online